১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ রাত ১১:৩১ শুক্রবার
শিরোনামঃ
নিরব-স্পর্শিয়ার সায়েন্স ফিকশন সিনেমা ‌`জল কিরণ বাকেরগঞ্জে অস্ত্র মাদক জালটাকা সহ একাধিক মামলার আসামি কে বাচাতে অপপ্রচার, বিব্রত উপজেলা যুবদল ও স্থানীয়রা নওগাঁর রাণীনগরের খেটে-খাওয়া নিম্ম আয়ের মানুষদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে টিসিবিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পদক পাচ্ছেন চেয়ারম্যান মঞ্জুর মোরশেদ লালমোহন তজুমদ্দিন এ শান্তির রূপ দিয়েছেন এমপি শাওন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বালাগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা আজ এস আর মাল্টিমিডিয়া’র ৫ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ষ্টার এ্যাওয়ার্ড ২০২১ বাকেরগঞ্জ মহাসড়কে অবৈধ দোকান সরাতে পারছে না প্রশাসন, চাঁদা নেয় প্রভাবশালীরা নওগাঁর বদলগাছীতে সার ডিলার এবং কৃষি অফিসের কারসাজিতে কৃষক দিশেহারা সিলেটে শুরু হলো দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উৎসব আন্তর্জাতিক সেমিনারে দুবাই যাচ্ছেন ডা. এম মোকতার হোসেন ও ডা. ইব্রাহিম মাসুম বিল্লাহ

সমালোচনা বাদ দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্র বাঁচানোর তাগিদ দিয়েছেন আবুল হোসেন মজুমদার

নিজস্ব প্রতিবেদক :খান মেহেদী
  • Update Time : শনিবার, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২২,
  • 241 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক :খান মেহেদী

এ বিষয়ে ফেসবুকে তিনি তার ব্যাক্তিগত একাউন্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন বাংলা চলচ্চিত্র নির্মাণের কারখানা এফডিসি এখন প্রাণহীন।

এফডিসি গেইটের মূল ফটক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলে কেবল হাহাকারের পরিবেশ দেখা যায়। কর্মহীন চলচ্চিত্রের লোকজনের এলোমেলো আড্ডা ও কাজের সন্ধানে অনেকের আনাগোনা ছাড়া এবং শিল্পী সমিতির নির্বাচনী আলোচনা সমালোচনা ছাড়া তেমন আর কিছুই দেখা যায় না। কালে ভদ্রে হঠাৎ হঠাৎ শূটিং দেখা যায়।

 

এফডিসির সব আগের মতোই আছে। নেই শুধু চলচ্চিত্র নির্মাণের ব্যস্ততা। বিভিন্ন শূটিং ফ্লোর যেমন মান্না ডিজিটাল কমপ্লেক্স, কড়ইতলা, ঝর্ণা স্পট, সব আগের মতো পড়ে আছে। কাজ না থাকলে এফডিসি এসে কি হবে- এমন হতাশা প্রকাশ করেন চলচ্চিত্রের অনেক সিনিয়র শিল্পী । অনেক সিনিয়র শিল্পী আক্ষেপ নিয়ে বলেন, এফডিসিতে সিনেমা নির্মাণ হবে, শূটিংয়ে গমগম করবে, এটাই চিরকাল দেখে আসছি।

আর এখন যেন এফডিসি মরুভূমির মতো পড়ে আছে। এ চিত্র দেখে কেবল স্মৃতিতে ফিরে যাই। এ স্মৃতি নিয়েই সান্ত¦না পেতে চাই। যা খুবই কষ্টদায়ক ব্যাপার। এফডিসিতে গেলে পরিচালক সমিতির সামনে দেখা মেলে কিছু পরিচালকের। তারা তাদের অতীতের সুবর্ণ সময়ের সিনেমা নির্মানের স্মৃতিতে নস্টালজিক হয়ে ওঠে।

একটা সময় সকাল থেকে রাত অবধি একদিনে সাত-আটটি সিনেমার শূটিং চলতো। ল্যাব, ডাবিং থিয়েটার, এডিটিং প্যানেল কর্মব্যস্ত থাকত। আর এখন সপ্তাহে বা মাসেও একটা সিনেমার শূটিং হয়না।

এই কষ্টদায়ক খবর বয়ে বেড়াচ্ছেন অনেক শিল্পী। সিনেমার কাজ কমে যাওয়ায় অনেকে হতাশাজনক জীবনযাপন করছেন। যাদের একমাত্র উপার্জন ছিল সিনেমায় কাজ করা, তারা অনেকের অন্যপথ বেছে নিয়েছেন। বছরে সিনেমা মুক্তির সংখ্যাও কমেছে, সিনেমা হলের সংখ্যাও দিন দিন কমছে। অনেক পরিচালক প্রযোজক শিল্পীদের আশা, একমাত্র সরকার উদ্যোগ নিলেই প্রাণের এফডিসি ফিরে পাবে আগের সোনালী দিন, আগের জৌলুস।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সিনেমা হল বাড়াতে হবে, প্রযোজকদের ফিরিয়ে আনতে হবে, সিনেমা নির্মাণ বাড়াতে হবে। সরকারিভাবে সিনেমায় যেন প্রযোজনা হয়, সেদিকে সুদৃষ্টি দিতে হবে এবং এফডিসিকে আধুনিক করতে হবে।
একে অপরের সমালোচনা বাদ দিয়ে চলচ্চিত্রের উন্নয়নে কাজ করতে হবে সবাইকে। অনেক প্রযোজক তার সিনেমার সেন্সর করে রেখে দিয়েছে হল বা পরিবেশ এর অভাবে মুক্তি দিতে পারছেন না ৷ এ বিষয়ে তিনি চলচ্চিত্র অংগনের সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন ৷

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category

Bangladesh-It-Host